স্বপ্নসিড়ির স্বপ্নদ্রষ্টা

‘পড়িলে বই, আলোকিত হই, না পড়িলে, অন্ধকারে রই’। বই মানুষের মনের দুয়ার উন্মুক্ত করে দেয়। একটি বই মানুষের চিন্তা ভাবনাগুলোকে আরো প্রসারিত করে দেয়। বইপ্রেমীদের জন্যে লাইব্রেরির চেয়ে প্রিয় কোনো স্থান আর কিছু হতেই পারে না। তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে মানুষ যেমন অনলাইন অফলাইন দুই ক্ষেত্রেই বই পড়ে তেমনই একটি অনলাইনভিত্তিক উন্মুক্ত এক লাইব্রেরির নাম ‘স্বপ্নসিড়ি’।  এই লাইব্রেরি হতে যে কেউ বিনামূল্যে বই নিতে পড়তে পারে। আর শত শত মানুষকে বিনামূল্যে বই পড়তে দেয়ারই এক প্ল্যাটফর্ম ‘স্বপ্নসিড়ি’। এই স্বপ্নসিড়ি নামক উন্মুক্ত লাইব্রেরির যিনি স্বপ্নদ্রষ্টা তিনি হলেন শাহজালাল শাহীন। বর্তমানে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ৩য় বর্ষে পড়ছেন। বই পড়ে কেবল নিজে আলোকিত না হয়ে, অন্যকেও আলোকিত করার এই যাত্রা শুরু করেন ২০১৮ সালের দিকে। তখন কেবল নিজের বিভাগের শিক্ষার্থীদের বই পড়তে দিতেন। কালক্রমে সেটি বড় পরিসরে করেন। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এখন স্বপ্নসিড়ি থেকে বই নিয়ে পড়ে। এবং এটি দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক অনুৎসাহিত পাঠক বই পড়ায় বেশ উৎসাহী হয়ে উঠেছে।
সমসাময়িক উপন্যাস,গল্প,প্রবন্ধ,ইতিহাস,রাজনীতি এবং ইসলামিক বইসহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক বই এ লাইব্রেরিতে আছে। একজন পাঠক সর্বোচ্চ ২টা বই একসাথে নিতে পারে।
নোয়াখালীতে বেড়ে উঠা এই তরুণ অবসর সময়ে নিজের লাইব্রেরি নিয়েই চিন্তা, পরিকল্পনা করতে ভালোবাসেন। ভবিষ্যতে এই লাইব্রেরিকে জাতীয় পর্যায়ে নেয়ার জন্যে তিনি বদ্ধপরিকর। তবে প্রচারবিমুখ এই শাহজালাল শাহীনের বিশ্বাস, এরকম উদ্যোগে সবাই তার পাশে থাকলে বইয়ের আলোয় স্বপ্নসিড়ি,
‘মুক্তির পথে আলোর দিশারী’ এই দীক্ষায় আরো অনেকটা দূর এগিয়ে যাবে।
স্বপ্নসিড়ির সাথে যুক্ত হতে পারেন এই গ্রুপের সাথেঃ https://www.facebook.com/groups/248605766046050/
ইয়ুথ ভিলেজ/বিশেষ প্রতিবেদক/সুমাইয়া আহমেদ নুসরাত