সৌন্দর্যের তিন লীলাভুমি

সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাতারগুল সাথে বোনাস হিসেবে পাংতুমাই আর বিছনাকান্দি :

যা যা দেখতে পাবেনঃ

১. রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট

২. পাংতুমাই ঝর্না

৩. বিছনাকান্দি

৪. রাস্তার পাশে থাকা সারি সারি চা বাগান

৫. শাহ জালাল (রহ) এর মাজার শরীফ

যেভাবে যাবেন-

আগের রাতে ঢাকা থেকে সিলেট চলে যাবেন। টিকেট ৪৮০ টাকা, সিলেট সকাল ৫ টার মধ্যেই পৌছে যাবেন। চাইলে এক দিনের জন্য হোটেলে একটা রুম নিতে পারেন

সকালে নাস্তা সেরেই ১৫০০ টাকায় সিএনজি ঠিক করে ফেলতে পারেন ।

সিএনজি যায় আর দু পাশে চা বাগান।  সারি সারি চা বাগান আর রূপে অনন্য। সেখানে সিএনজি থামিয়ে চা বাগানে কিছু সময় কাটিয়ে আবার চলা শুরু করতে পারেন । ৪০ মিনিটের মত লাগবে রাতারগুল ঘাটে পৌছাইতে।

ঘাটে ডিঙ্গি নৌকা ভাড়া করে উঠে পড়তে পারেন।  সরকারি রেট ৭৫০টাকা । মাঝির গালায় গান আর পানির কল কল শব্দ একটা অমায়িক অনুভূতি।

প্রকৃতি যেনো তার সবটুকু দিয়ে রাতারগুল কে সাজিয়েছে!! সবুজ পানির উপরে নীল আকাশ আর তার উপরে দাড়িয়ে আছে করচ গাছ।  বনের মাঝে একটা নৌয়ার তৈরি ভাসমান দোকান আছে। সে ভাসমান দোকানে চা খেয়ে দেখতে পারেন । ওয়াচ টাওয়ার থেকে মেঘালয়ের পাহাড়গুলো দেখতে আরো চমৎকার দেখায় ।

আবার সিএনজি চলবে বিছনাকান্দি যাওয়ার নৌকার ঘাট পর্যন্ত। এখানে দুপুরের খাবার সেরে নেবেন চাইলে বিছনাকান্দিতেও খেতে পারেন। আপনাদের সংখ্যা কম থাকলে অন্য গ্রুপের সাথে একত্রে নৌকা ঠিক করবেন। বিছনাকান্দি এর সরকারী রেট ১৫৫০ টাকা আর পাংতুমাই সহ ২২৫০ টাকা। এক নৌকাতে ১০-১২ জন আরামে যেতে পারবেন। এতে করে খরচ মাথাপিছু কমে যায়।

পাংথুমাই থেকে এবার বিছনাকান্দি চলে গেলাম একই নৌকায়। বিছনাকান্দি তে প্রতি চারদিন পর পর হাট বসে ইন্ডিয়ান প্রোডাক্ট এর। বিকেল ৫ টায় সকলকে বিছনাকান্দি থেকে ফিরতে হয়। এরপর সিএনজিতে করে সিলেট শহরে ফিরতে পারবেন।

ইয়ুথ ভিলেজ/নিজস্ব প্রতিবেদক/সিফাত নার্গিস