ঘুম এবং অন্যান্য

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বা এনএসএফ বলছে প্রত্যেকের লাইফ স্টাইলই আসলে তার ঘুমের চাহিদা বুঝতে মূল ভূমিকা পালন করে থাকে। রুটিন না মেনে চলা, অ্যালকোহল বা উত্তেজক কিছু সেবন, যেমন কফি বা কোন এনার্জি ড্রিঙ্ক, এলার্ম ঘড়ি বা দিনের আলো এমন সব কিছুই প্রাত্যহিক জীবন চক্রকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
ডা. কাদের রঞ্জন ব্যানার্জি, (কন্সালটেন্ট সাইকিয়াট্রিস্ট, কলকাতা, ভারত) এর ভাস্যমতে সাড়ে তিন ঘন্টার কম বা সাড়ে আট ঘন্টার বেশি ঘুমানো মানুষদের আয়ু অন্যান্য মানুষের তুলোনায় কম হয়ে থাকে। সুতরাং আমাদের উচিৎ পরিমিত পরিমাণে ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা। সেটি যেন খুব কম অথবা খুব বেশি না হয়ে থাকে। প্রতিদিন ৬-৭ ঘন্টা ঘুম শরীরের জন্য আবশ্যক।
একরাত না ঘুমানোর ফলে আমাদের শরির যে পরিমান ইনসুলিন রেজিস্টেন্ট হয়ে পড়ে যা টাইপ টু ডায়াবেটিস এর সমান। যার সাথে জড়িয়ে আছে অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়া ও মেদ বৃদ্ধির আশংকা। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে ঘুম কতটা জরুরি।
এখন বলা যাক কি কি উপায়ে অল্প সময়ের মাঝে ঘুমিয়ে যেতে পারবেন-
১) ঘুমের ২ ঘন্টা আগে রাতের খাবার সেরে ফেলুন। মাঝের ২ ঘন্টা হালকা কাজ গুলো করে নিন।
২) ঘুমানোর আগে ঠান্ডা দুধ পান করুন।
৩) ঘুমের আধা ঘণ্টা আগে হেটে আসুন।
৪) রাতে হালকা খাওয়া দাওয়া করুন।
৫) ঘুমের আগে কুসুমগরম পানিতে গোসল করুন।
৬) ঘুমের ঘরটি ঠন্ডা রাখুন।
৭) বেশি আঁট সাঁট পোশাক পরিহার করুন।
৮) অন্তত ১ ঘন্টা আগে মোবাইল ফোন ও টিভি থেকে দূরে থাকুন।
ইয়ুথ ভিলেজ/বিশেষ প্রতিবেদক/সামিহা রাদিয়া হাসান