এক নজরে তিন সীতাকুন্ড

সিতাকুন্ড যা চট্টগ্রাম জেলার একটি উপজেলা যা বর্তমানে পর্যটকদের কাছে একটি আর্কশনীয় একটি স্থান। ঝর্ণা, পাহার,মেঘ কি নেই একখানে।

সীতাকুন্ড এবং আসেপাসের স্থান গুলোর প্রাকৃ্তিক রুপ দেখতে একজন পর্যটক কে অব্যশই কিসুদিন অবস্থান করতে হবে। সীতাকুন্ডের কাসেই আসে বাঁশবাড়িয়া,গুলিয়াখালি সমুদ্রসৈকত।পবিত্র চন্দ্রনাথের পাহার ও কিন্তু মিস করার মত নয়।

কিভাবে যাবেনঃ

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে জাওার পথে বন্দর নগরী সিটি গেইট থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার এর দূরত্ব। ঢাকা থেকে চট্টগাম জাওার আগেই পরবে সীতাকুন্ড শহর। ঢাকা টু চট্টগ্রাম গামী যে কোন বাস এ করে সীতাকুন্ড জেতে পারবেন। সেখান থেকে সিএনজি করে সীতাকুন্ড জেতে পারবেন।

সায়দাবাদ থেকে বাস এ যেতে পারবেন-২৫০(ভাল -৪৮০থেকে৫২০)

যে সকল স্থান দেখতে পারেনঃ

 চন্দ্রনাথ পাহারঃ  

এখানে আপনি মেখের দেখা পাবেন তাছারাড় যতদূর চোখ পরবে কেবল সবুজ এর এর সমারহ। পাহাড়ে উঠার সময় আপনাকে বান পাশ দিয়ে উঠতে হবে আর নামার সময় সিড়ি ব্যাবহার করতে হবে। মনে করে পানি নিতে হবে আর অবশ্যই ভাল মানের জুতা ব্যবহার করতে হবে । যত সকালে উঠতে পারবেন তত ভাল। লাঠি অবশ্যই নিতে হবে।

খরচঃ

সীতাকুন্ড-চন্দ্রনাথ= সিএনজি ভাড়া পরবে ১৫ টাকা

লাঠি ভারা-২০টাকা(লাঠি ফেরত দিলে ১০টাকা ফেরত পাবেন)

বাঁশবাড়ীয়া বীচঃ

সুন্দর একটা পরিবেশ।তবে সাতার না জানা থাকলে পানিতে না নামায় ই ভাল। এখান থেকে কমিরা ঘাট গুরে আসতে পারেন।

খরচঃ

সীতাকুন্ড থেকে বাঁশবাড়ীয়া বাজার-১০টাকা/লেগুনা-১৫টাকা

বাঁশবাড়ীয়া বাজার-বীচ=২০টাকা

জেটিতে উঠার টিকেট=২০টাকা

গুলিয়াখালি বীচঃ

এখানে বিকালের পরে ঘুরা উচিত। আর বীচের ঘাস গুল খুব দারালো। তাই হাটা বা ঘুরার সময় খেয়াল রাখতে হবে। যদি সাহসী হন তবে নৌকায় ঘুরতে পারেন।কারন ঢেউ গুলো আসলে অনেক উপরে উঠে।

খরচঃ

সীতাকুন্ড-গুলিয়াখালি= ৩০সিএনজি

নৌকা ভাড়া=৩০-৩৫(১৫ মিনিট ঘোরাবে)

সীতাকুন্ডে ৩-৪ট হোটেল আছে ৪০০-৮০০ টাকা পরবে।

উপরের খরচগুলো একজন হিসেবে দেওয়া।

ইয়ুথ ভিলেজ/নিজস্ব প্রতিবেদক/সিফাত নার্গিস